খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে ধান-চাল সংগ্রহ শতভাগ অর্জিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে ধান-চাল সংগ্রহ শতভাগ অর্জিত

গোপালগঞ্জ জেলা খাদ্য গুদাম

সাইফুল ইসলাম । গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

বোরো-২০২৬ সংগ্রহ মৌসুমে গোপালগঞ্জ জেলায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানে মূল লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জিত হয়েছে। ধান সংগ্রহ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। কিছু চালকল মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মিলের অনুকূলে অতিরিক্ত চাল বরাদ্দ এসেছে। সেসব মিলের চাল সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।

গোপালগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অনিক পাল অন্তু এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বোরো মৌসুমে সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় জেলার ৬টি খাদ্য গুদামে ১৪ হাজার ৫৮৩ মেট্রিক টন ধান, ১৪ হাজার ৭৬ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ২৪২ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। এর মধ্যে ধানের সংগ্রহ মূল্য কেজি প্রতি ৩৬ টাকা ও চালের দর ধরা হয় ৪৯ টাকা। আমরা মে মাস থেকে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু করি।

নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ধান সংগ্রহ শেষ হয়েছে। আতপ ও সিদ্ধ মিলিয়ে ১৪ হাজার ৩১৮ মেট্রিক টন চাল কেনা হয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু চালকল মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত চাল বরাদ্দ পেয়েছেন। এখন সেসব চাল সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, জেলার ৬টি খাদ্য গুদামের ৩০% বর্ধিত হিসাবে ধারণ ক্ষমতা ১৪ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন। ধান চাল মিলিয়ে ইতোমধ্যে মোট সংগ্রহ করা হয়েছে ২৮ হাজার ৯০১ মেট্রিক টন। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩১১ মেট্রিক টন। খাদ্য অধিদপ্তর দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই অতিরিক্ত সংগ্রহ করা খাদ্যশস্য যে সমস্ত সরকারি গুদামে ধারণ ক্ষমতা অধিক রয়েছে, সেখানে পাঠানো হয়েছে।

ধান-চাল সংগ্রহ করার মাধ্যমে নিরাপদ মজুদ নিশ্চিত করতে গোপালগঞ্জ জেলা হতে খাদ্যশস্য ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ সাইলো, মংলা সাইলোসহ বিভিন্ন সরকারি গুদামে পাঠানো হয়েছে।
ধান সংগ্রহ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে জানিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বলেন, আমরা সরাসরি প্রকৃত কৃষকের নিকট থেকে ধান ক্রয় করেছি। ৩৬ টাকা কেজি দরে একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৩ টন ধান আমাদের কাছে বিক্রি করেছে। ধান ক্রয়ের টাকা আমরা সরাসরি কৃষকের ব্যাংক একাউন্টে দিয়েছি। ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে আমরা কোন সিন্ডিকেটকেই সক্রিয় হতে দেইনি। চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৫ হাজার কৃষক সরকারি খাদ্য গুদামে ধান দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ি কার্যালয় থেকে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে গোপালগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলায় ৮২ হাজার ৫৮৮ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আবাদ হয় ৮২ হাজার ৫৯৩ হেক্টরে। ১১ হেক্টরে আবাদ বৃদ্ধি পায়। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৯২৭ মেট্রিক টন। আবাদ বৃদ্ধি ও বোরোর বাম্পার ফলনে এ জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছড়িয়ে উৎপাদিত হয় ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৭০৩ মেট্রিক টন ধান। টার্গেটের চেয়েও উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ১০ হাজার ৭৭৬ মেট্রিক টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক সঞ্জয় কুমার কুন্ডু বলেন, আমাদের জেলায় ২ লাখ ৯৩ হাজার কৃষি খানা পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে কত পরিবার বোরো ধান আবাদ করে, এমন নির্দিষ্ট কোনো তথ্য আমাদের দপ্তরে নেই। তবে অনুমান করে বলা যেতে পারে প্রতি হেক্টরে ৫ জন কৃষক বোরো আবাদ করেন। সে হিসাবে এ জেলায় প্রায় ১৭ হাজার কৃষক এ ধান আবাদের সাথে জড়িত রয়েছেন। উৎপাদনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে প্রায় ৫ হাজার কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হয়েছে। এটি বাড়াতে হবে। তাহলে ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। বাজার মূল্য অপেক্ষা সরকার নির্ধারিত সংগ্রহ মূল্য বেশি ছিল। তাই গুদামে ধান দিতে পেরে অনেকেই খুশি। আবার গুদামে ধান দিতে না পেরে অনেকেই হতাশ।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের পরিমল বিশ্বাস বলেন, ৩৬ টাকা কেজি দর হিসাবে ১ হাজার ৪৪০ টাকা মণ দরে গোপালগঞ্জ খাদ্য গুদামে ৩ টন ধান বিক্রি করতে পেরে আমি খুবই খুশি। সরকার এভাবে আমাদের কাছ থেকে ধান কিনলে, আমরা উপকৃত হই। এ বছর আমি ১২ টন ধান উৎপাদন করেছি। ধান উৎপাদন খরচ, সারা বছরের সংসার খরচ বাদ দিয়ে অন্তত ৩ টন ধান রয়ে যাবে। আগামীতে ৩ টনের জায়গায় আমাদের কাছ থেকে ৬ টন ধান নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মোমিন খান ভর্তুকি ও গুদাম বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষককে ভর্তুকি দিয়ে ধান উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। গোপালগঞ্জে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়েছে। সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার ৫৮৩ মেট্রিক টন। এটি খুবই অপ্রতুল। তবে খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি। কৃষকের কাছ থেকে বেশি বেশি করে সরকারি গুদামে ধান সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি নতুন নতুন সরকারি খাদ্য গুদাম নির্মাণ করে ধান চলের বিশাল মজুদ বাড়াতে হবে। যাতে আপদকালীন চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এছাড়া মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ করে কৃষকের উৎপাদিত ধরনের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেকটাই সম্ভব হবে।

যোগফল । অনলাইন । ‍ নিউজ ডেস্ক

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম